How new banks are faring after a decade

The government awarded licences to set up new nine banks in 2013 despite criticism from analysts and economists and initial reservations from the central bank since the number of lenders was already high in Bangladesh and approvals were largely given on political consideration.  

Today, some of the nine banks — Union Bank, Global Islami Bank, Midland Bank, NRB Commercial Bank, NRB Bank, SBAC Bank, Meghna Bank, Modhumoti Bank, and Padma Bank – are in a good position while some are struggling.

Three banks – NRB Commercial, Union Bank, and Modhumoti – raised their profits above Tk 100 crore in 2022. On the other hand, Padma Bank sank into an accumulated loss of Tk 805 crore.

Most of the new banks are bearing a huge amount of non-performing loans though they are newer compared to second-generation lenders – those receiving licences in 1992-1996 – and third-generation lenders – those that were permitted between 1998 and before 2012.

Padma Bank had the highest NPL ratio of 63.5 per cent owing to massive financial scams. Meghna Bank, SBAC Bank, and NRB Commercial Bank’s NPL ratio crossed 4 per cent.

Modhumoti Bank managed to keep the NPL ratio at 1.7 per cent, the lowest among the nine banks.

Padma Bank has not published its financial reports for 2022 yet. The reports for the rest showed that they account for about 5 per cent of deposits and loans and advances in the banking sector, highlighting their struggle to attract customers.

Deposits totalled Tk 81,185 crore at the end of 2022. The total deposits in the banking sector were Tk 15.88 lakh crore.

The new banks have so far lent Tk 75,303 crore whereas the total advances in the banking industry were Tk 13.87 lakh crore.

“There are many unbanked people in Bangladesh, so we have focused on bringing them under the financial system,” said Golam Awlia, managing director and CEO of NRB Commercial Bank.

The bank posted the highest profit among the nine, raking in Tk 193 crore in 2022.

“We have disbursed a huge amount of money in the form of micro-loans, which gave us mileage, and the rural economy has also benefitted from it,” Awlia said.

He said customers look at reputation, branding and service when it comes to parking deposits and taking loans.

“NRB Commercial Bank has put focus on all of the areas. So, we have been able to collect a huge volume of deposits.”

The bank’s deposit stood at Tk 16,114 crore last year, the second-highest among the fourth-generation banks.

NRB Commercial Bank has launched some new products, including a special entrepreneurship loan scheme and a house finance scheme for returnee migrants. It has initiated Shariah-based banking in all of its branches.

Union Bank made the second-highest profit of Tk 151 crore followed by Modhumoti Bank’s Tk 100 crore and Global Islami Bank’s Tk 96 crore.

Meghna Bank’s NPL was 6.73 per cent, followed by SBAC Bank’s 5.18 per cent and NRB Commercial Bank’s 4.69 per cent.

“Most of the NPLs are from the past. Now, we are cleaning books, so the NPL ratio is on the decline,” said Sohail RK Hussain, managing director and CEO of Meghna Bank.

The bank logged a profit of Tk 19 crore in 2022.

About the low profit, he said the bank has focused on expanding the book size instead of making huge profits.

“During the pandemic, Meghna Bank followed a conservative growth policy to strengthen the capital base.”

At present, the bank’s capital adequacy ratio is around 21 per cent, which is one of the best in the entire banking industry excluding foreign banks, he claimed.

Meghna Bank’s advance deposit ratio is 72 per cent, so the liquidity position is in good shape, Hussain said, adding that the bank has concentrated on governance and prudent management of business challenges.

Hussain cited that Meghna Bank has not delayed in making payments against letters of credit whereas many banks suffered in recent months owing to the US dollar shortage.

“Our LC confirmation ability has enhanced significantly.”

Midland Bank has the lowest NPL ratio of 2.78 per cent.

Salehuddin Ahmed, a former governor of the Bangladesh Bank, alleged that the new banks were given licences on political consideration, so a lack of professionalism can be seen in some of them.

He said almost all of the new banks are running their business like their predecessors and are not going to rural areas and unbanked people.

“Then what new things are they adding? The central bank should work with them so that they can contribute differently.”

According to Ahmed, Padma Bank was granted an additional waiver from the central bank and was allowed to keep a lower amount of mandatory liquid assets.

“It has a domino effect.”

AB Mirza Azizul Islam, a finance adviser to a former caretaker government, said he has been always against giving licences to new banks since a large number of banks are already operating in the country.

At present, there are 61 scheduled banks in Bangladesh. In the last few years, People’s Bank, Citizen Bank, Bengal Commercial Bank and Community Bank have also received licences to operate banking businesses.

“When the number of banks rises, some face problems in attracting deposits and the volume of business also shrinks,” Islam said.

“It is a positive sign that some new banks are doing well by making profits and keeping the NPL ratio low.”

“If they can keep the NPL ratio in check and provide handsome dividends to shareholders, it will be a huge success for the banks.”


Source: The Daily Star


রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংকে খেলাপি ঋণও কমেনি, কারও শাস্তিও হয়নি

মতিঝিল শাপলা চত্বর
মতিঝিল শাপলা চত্বরফাইল ছবি

খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে গত বছরের শেষ প্রান্তিকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ৪ ব্যাংককে লক্ষ্য বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে ওই সভায় জানিয়ে দেওয়া হয়, লক্ষ্যের নিচে খেলাপি ঋণ কমিয়ে না আনলে তাদের জরিমানা গুনতে হবে। লক্ষ্য অর্জন করলে তারা পাবে পুরস্কার। বছর শেষ হলেও কোনো ব্যাংক সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। ফলে খেলাপি ঋণও কমেনি। এ জন্য ব্যাংক চারটিকে জরিমানাও করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। উপরন্তু নিজেদের নেওয়া সিদ্ধান্তই যেন ভুলতে বসেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

ব্যাংক চারটি হলো সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী। এর মধ্যে গত বছর রূপালী ছাড়া সব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে। রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমেছে ৩৫ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে ১৭ থেকে কমে হয়েছে ১৫ শতাংশ।

এ নিয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হককে পাওয়া যায়নি। তবে এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গভর্নরের মৌখিক নির্দেশে জরিমানার বিষয়টি এসেছিল। আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি ছাড় হওয়ায় বিষয়টি আর এগোয়নি। পরের সভাতেও গভর্নর উপস্থিত থাকলেও এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সার্বিকভাবে ব্যাংকগুলোকে তাদের পরিস্থিতির উন্নতি করতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাওয়া রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। এর অংশ হিসেবে চার ব্যাংকের সঙ্গে সভা করে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্রঃ প্রথম আলো

৯ শতাংশ সুদহার তুলে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের অন্যতম শর্ত সুদহার বাজারভিত্তিক করা। এমন পরিস্থিতিতে অনড় সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তুলে দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ ঋণের সুদহার। উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে সঞ্চয়প্রবণতা কমায় উচ্চ সুদে আমানত নিতে পারছে না ব্যাংক। ফলে তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিসংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এ সময় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী জুনে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে। কেমন মুদ্রানীতি হবে এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ঋণের সুদহার বাজারভিত্তিক করার বিষয়ে আইএমএফের শর্ত রয়েছে। এখন যে ৯ শতাংশ ক্যাপ রয়েছে, তা কিভাবে তুলে বাজারব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া যায়, সেটির কৌশল নির্ধারণে আলোচনা হয়েছে। যেমন লাইবর রেটের সঙ্গে ব্যাংক নির্ধারিত সুদ যোগ করে মোট সুদহার নির্ধারণ কর হয়। ঠিক সেভাবে পাঁচ ধরনের বন্ডের সুদহারের গড় রেটের সঙ্গে একটি রেট নির্ধারণ করে দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকগুলো অনেক দিন ধরেই সুদহারের সীমা তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কেননা ঋণে ৯ শতাংশ সুদের সীমা থাকায় আমানতে সুদ বাড়াতে পারছে না ব্যাংকগুলো। আবার সুদ না বাড়িয়েও ঋণ পাচ্ছে না। আইএমএফের সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণের অন্যতম শর্ত সুদহার বাজারভিত্তিক করা। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদনেও সুদহারের সীমা প্রত্যাহার অথবা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, নতুন মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী জুনের তৃতীয় সপ্তাহে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে। চলমান মুদ্রানীতির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও আগামী মুদ্রানীতিতে কী কী থাকবে, বৈঠকে সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাংকঋণের সুদহার কী করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে ব্যান্ডিং ও রেফারেন্সের রেটের কথা ভাবা হচ্ছে। এসব বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। আগামী মুদ্রানীতিতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুই বছর মেয়াদি বন্ডে ৭.৫৫ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি বন্ডে ৭.৯০ শতাংশ, ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে ৮.৩৩ শতাংশ, ১৫ বছর মেয়াদি বন্ডে ৮.৭৭ শতাংশ ও ২০ বছর মেয়াদি বন্ডে সুদের হার ৮.৯৫ শতাংশ। অর্থাত্ এই পাঁচ ধরনের বন্ডে সুদহারের গড় ৮.৩০ শতাংশ। এই রেটের সঙ্গে যদি বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ শতাংশ করিডর রেট নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে ১৩.৩০ শতাংশে ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে ব্যাংক। অর্থাৎ এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকঋণের সর্বনিম্ন সুদহার এক লাফে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আইএমএফের ঋণ পাওয়ার শর্ত পূরণ করতেই এ সিদ্ধান্তের কথা ভাবছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ 

EDF reduced to $5.5b, banks to face penalty interest for repayment delay

Banks will have to pay 4% “penal interest” if they fail to repay loans taken from the Export Development Fund (EDF) formed from the country’s foreign exchange reserves on time, according to a circular issued by the Bangladesh Bank on Sunday. 

The central bank has made the decision as several banks have been delaying the repayment of EDF loans for a long time, officials concerned have told The Business Standard.

Data obtained from the central bank on 19 March show that the outstanding amount of EDF loans currently stands at $5.5 billion.

To reduce the strain on its reserves, the central bank has been more aggressive in recovering outstanding EDF loans than disbursing new loans from the fund. In the last two and a half months, the amount of outstanding EDF loans has been reduced by over $1.5 billion.

According to central bank sources, the size of the EDF at the beginning of January this year was more than $7 billion, which was reduced to $6 billion by the third week of the month.

A senior official of the central bank said that the size of the EDF is regularly being reduced in accordance with the advice of the IMF.

According to the central bank’s guidelines, foreign exchange assistance is provided to exporters for importing raw materials under the EDF. An EDF loan has a tenor of 180 days and this period can be extended by another 90 days subject to the approval of the Bangladesh Bank. But, many banks failed to repay EDF loans even long after the completion of the extended period, prompting the central bank to impose penal interest.

The latest circular of the central bank says that the penal interest or compensation in the case of Shariah-based Islamic banking will be charged at a rate of 4% per annum above the prevailing interest rate on the overdue amount of EDF loans for the delayed period.

According to industry insiders, the interest rate of EDF loans was previously determined in accordance with the London Interbank Offer Rate (Libor). Until the beginning of the Covid-induced economic downturn, the interest rate of EDF loans was fixed by adding 1.5% to the 6-month average Libor.

However, to reduce the cost of funds amid the coronavirus pandemic, the interest rate was fixed at 2% in the first phase. Later on 20 July last, the rate was increased to 3%. Finally, the Bangladesh Bank increased the interest rate to 4.5% in January this year.

According to several sources of the central bank, the size of EDF will be downsized by another $2-3 billion within the next six months.

The central bank is planning to phase out foreign currency lending from EDF, which is made up of foreign currency.

The IMF delegation that visited Dhaka in December last year to discuss the terms and conditions for the $4.5 billion loan also suggested that the central bank exclude the existing EDF loans from its reserve calculation, sources at the central banks told The Business Standard.

Anwar-ul Alam Chowdhury, chairman of Evince Textiles Ltd, told TBS, “EDF was instrumental to increasing our country’s exports. Through this, traders could take funds at low interest. The latest central bank instruction will discourage them from doing so.”

“If the interest rate of this fund is high, the product cost will also be high, which will trigger sales problems. It is true that the government is under some pressure because of the IMF’s loan conditions, but phasing out EDF should have been done slowly. At least a year would have given everyone a chance to sort it out,” he said.

“Backward linkages will face some major problems as they have to bring the cotton in advance. Besides, textile mills import yarn with EDF funds. At present, they have fewer orders, and if the import cost becomes high, they will face a big problem,” Anwar-ul Alam Chowdhury said.

The central bank has reduced the size of the EDF but created a new fund of Tk10,000 crore as part of its decision to build an EDF in local currency to support exporters by providing loans at 4% interest.

In this regard, several exporters said the problem remains even if the fund is provided in local currency. Because Bangladeshi traders have to pay more than Tk110 for a dollar to import goods but get a lower rate when they export.

At present, the gross foreign currency reserves of the country stand at $31.28 billion, but if the IMF calculation is taken into account, the figure will be nearly $24 billion, according to central bank sources.


Banks waive off Tk5,064cr in loan interests in 2022

Sector insiders blame the central bank’s liberal policy that empowers bank owners to waive loan interests on nominal down payments

Infograph: TBS

Infograph: TBS

Default loan rescheduling and loan interest waivers have increased at an unusual rate in the banking sector, according to the latest Bangladesh Bank data.

Lenders waived off some Tk5,064 crore while rescheduling loans throughout 2022. It is Tk3,209 crore higher than that of the previous year.

For such a situation, sector insiders blamed the liberal policy of the central bank which empowered bank owners to waive loan interests on nominal down payments.

Besides, the desperate attitude of banks to recover outstanding loans which got stuck thanks to pandemic-induced relaxed policies also contributed to the surge in waived-off interests.

“All the benefits of loan rescheduling and waiver are received by some large borrowers, who are mostly wilful defaulters,” Salehuddin Ahmed, former central bank governor, told The Business Standard.

“Currently the banking sector is very unfortunate. The central bank is not taking proper actions, banks are tactfully making their balance sheet look good. No one is giving due importance to protecting the interests of the depositors.”

“The central bank should play a stronger role to curb such irregularities in the banking sector. For example, strict measures should be taken if any customer defaults. At the same time, new loans should be scrutinised properly,” he added.

According to the Bangladesh Bank, banks waived off Tk1,194 crore in loan interest in 2018 as the figure jumped to Tk2,293 crore next year. It dropped slightly to Tk1,578 crore in 2020 and spiralled again to Tk1,855 crore in 2021.

Besides, banks rescheduled loans of Tk27,279 crore in 2022, almost two times more than Tk12,380 crore in 2021. It was Tk13,468 crores in 2020.

Thanks to the latest interest waivers, the amount of defaulted loans of banks fell to Tk1.20 lakh crore at the end of December 2022 from Tk1.32 lakh crore in January of that year, Bangladesh Bank data said.

“It would have been good if banks had waived interest on bad loans [to small borrowers]. The benefit of the interest waiver is gone to large groups, unfortunately,” a central bank official, wishing to remain unnamed, told The Business Standard.

Last year, a Chattogram-based group got large amounts of interest waiver from National Bank and a state-owned bank, he added.

Regarding defaulted loans, former governor Salehuddin Ahmed said, “This is not the actual amount of defaulted loans in the banking sector. The figure has been hidden in various ways.”

“International rating agencies are marking our banking sector negatively, which is bad for the overall economy. Our imports will suffer and interest rates on foreign loans will increase, as a consequence. Mass people will be the ultimate sufferer,” he added.

“Now, many banks are in a liquidity crisis.  At the same time, their defaulted loans are increasing. Such banks are set to see more difficulties soon,” a private bank managing director, asked not to be named, told TBS.

“Banks have been stuck with defaulted loans of customers for a long time. Hence, they are trying to recover their money even though they need to waive some amounts, which is why interest waivers have been on the rise,” he added.

The Bangladesh Bank, in a circular in July last year, empowered boards of banks for rescheduling new loans on 2.5-4.5% deposits. Prior to that, the central bank’s approval was required to regularise the loans and 10-30% deposits were mandatory. Besides, the time limit for repayments was extended up to eight years, from the previous two years.

Source: The Business Standard


Rising foreign debt to create trouble

The increasing foreign debt will create problems for Bangladesh unless structural problems in the country’s financial sector are addressed, said economists at an inter-department dialogue at the University of Dhaka yesterday.

“The ongoing IMF credit programme will not become effective if discipline in the financial sector cannot be improved,” said Rashed Al Mahmud Titumir, chairperson of the department of development studies at the university.

The dialogue, held at the Muzaffar Ahmed Chowdhury Auditorium, was organised by three departments of the university, namely economics, international relations and development studies.

Citing how the Covid-19 pandemic exposed structural problems in the economy, Titumir said Bangladesh has long been facing different crises such as the lack of corporate governance in banks and money laundering.

“The volume of the country’s deficit and debt is not the major problem,” he said, adding that the main thing is whether the funds are being invested in productive sectors.

Titumir reckons that things will get critical if the government uses the funds for consumption, such as providing salaries to its staff.

The amount of foreign loans taken by both the public and private sectors has doubled in the last five years.

By the end of December 2022, the country’s total private sector foreign debt amounted to $24.1 billion in contrast to $12.52 billion in 2018.

The government took initiatives to mobilise foreign funds by issuing sovereign bonds during the period of Finance Minister AMA Muhith.

“We might have faced a severe crisis had the bonds been issued,” Titumir said.

Muhammad Shahadat Hossain Siddiquee, a professor of economics at Dhaka University, said the volume of foreign debts in the country is now on the rise.

The country is now availing foreign sources for commercial loans that cannot be restructured, which is not good, he added.

Siddiquee said that it remains uncertain how the government calculates the GDP growth of Bangladesh.

“The required information and data on GDP growth are not provided by the concerned government agencies to understand the trend of the growth,” he added.

Siddiquee pointed out that governments usually set their revenue mobilisation targets by observing the GDP growth.

“But revenue mobilised by the government is decreased when the GDP sees higher growth,” he said, adding that this means the government is not strong enough.

Anis Chowdhury, an adjunct professor at Western Sydney University, presented a keynote paper titled “Developing Countries’ Debt Crisis – Chinese or Western trap” at the discussion.

He said the developing countries’ looming debt crises are being worsened by structural shifts in debt composition towards riskier commercial loans characterised by shorter maturities, higher interest rates, and little or no restructuring options.

Such shifts are due to multiple reasons that can be traced to the deliberate acts of Western donors and the multilateral institutions dominated by them, such as the World Bank and the International Monetary Fund.

One reason is the decline in concessional development finance and broken aid promises, including SDGs and climate finance, Chowdhury said.

Besides, most developing countries have turned to riskier borrowing from international capital markets, and commercial debts now constitute more than half of their public debt.

Such loans are usually of shorter durations and attract higher interest rates while having almost no restructuring or refinancing options, said Chowdhury, a former director at the Macroeconomic Policy and Development Division of the UN-ESCAP.

Chinese debt constitutes less than 20 per cent of developing countries’ public debt and less than 15 per cent in low-income countries.

Chinese loans are quite diverse with only a small part of Chinese loans involving commercial conditions, he added.

Among others, Zia Rahman, dean of the faculty of social sciences, Masuda Yasmeen, chairperson of the department of economics, Mohammad Tanzimuddin Khan, a professor of international relations, Faruk Shah, an associate professor of development studies, and ABM Omor Faruque, an assistant professor of development studies, addressed the event.

Source: Star Business Report


Now exporters to get Tk104 per dollar for export proceeds

All authorised dealer banks will have to follow this new rate from 1 March

Banks will now pay the dollar rate of Tk104 to bring export proceeds to the country quickly, according to rate fixed by Bangladesh Foreign Exchange Dealers’ Association (Bafeda).

All export proceeds and other inward remittances including commercial remittances irrespective of ticket size will be bought by the banks at a fixed rate of Tk104 per US dollar (instead of the earlier Tk103), reads a notice published by Bafeda on Wednesday (1 March).

In the notice, it was said that the exchange rate for dollars is being fixed for remittance with a view to stabilise the foreign exchange market and to better serve the customer of all segments.

This new rate will be effective from 1 March and all authorised dealer banks will have to follow this rate.

Also, all wage earners and white collar NRB’s remittances (only those who are entitled to receive the existing 2.50% GoB incentives) received through Exchange Houses (both for banks own Exchange House(s) and third party Exchange Houses) and formal banking channel will be bought by the banks at a rate not higher than Tk107 per US dollar,” reads the notice.

Source: TBS News


ভুয়া কাগজপত্রে’ ঋণ দেয় সোনালী ব্যাংক!

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় করপোরেট শাখা

নজরুল ইসলাম:ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ঋণের জন্য আবেদন করে দুটি প্রতিষ্ঠান। স্বল্প সময়ে ঋণও পেয়ে যায় তারা। তবে ব্যাংকের কর্মকর্তারা দলিলপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ সঠিকভাবে সম্পাদন ও সংরক্ষণ করেননি। পাশাপাশি ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে গ্রাহক নির্বাচন, মঞ্জুরি ও বিতরণ করা ঋণগুলো তদারকি এবং ব্যাংকের পাওনা আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এতে যথাসময়ে ঋণের টাকা আদায় না করায় খেলাপিও হয়। ঘটনাটি ঘটেছে সোনালী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় করপোরেট শাখায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় দুটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া মামলা দুটি দায়ের করেছেন, যা তদন্ত করছেন উপপরিচালক রাউফুল ইসলাম।

দুটি মামলায়ই শাখাপ্রধান ড. মো. হাফিজুর রহমানকে এক নম্বর আসামি ও শাখা কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেনকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংক কর্মকর্তা আমির উদ্দিন ও লিমা ট্রেডিংয়ের মালিক লিমা রহমান এবং ইউনিভার্সেল টেকনোলজিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক কেএম রেজাউল হোসাইনকে একটি করে মামলায় আসামি করা হয়।

দুদকের এজাহারে অভিযোগ করা হয়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে কাগুজে প্রতিষ্ঠান লিমা ট্রেডিংয়ের নামে রেকর্ডপত্র তৈরি করে ১৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়। ঋণগ্রহীতা লিমা রহমানের নাম জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী লিমা আক্তার। বন্ধকি সম্পত্তি শনাক্ত ও চিহ্নিত করা ছাড়াই ঋণ বিতরণ করা হয়। ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর তারিখে সুদসহ পাওনা দাঁড়ায় ৩২ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৩ টাকা।

২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় করপোরেট শাখায় চলতি হিসাব খোলেন লিমা ট্রেডিংয়ের মালিক লিমা রহমান। প্রতিষ্ঠানটি গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ সরবরাহের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ২০১১ সালের ১০ নভেম্বর লিমা রহমান ১৫ লাখ টাকার ঋণের আবেদন করেন। প্রস্তাবিত জামানতি সম্পত্তির মূল্যায়ন করে ১৬ নভেম্বর ১৫ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন দেয়া হয়, যার মেয়াদ ধরা হয় ২০১২ সালের ১৫ নভেম্বর। লিমা রহমানের স্বামীর নামে থাকা জামানতি সম্পত্তির মূল্যায়ন ও মর্টগেজ দলিল সম্পাদন করেন সোনালী ব্যাংক শাখা কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন ও শাখা প্রধান ড. মো. হাফিজুর রহমান। ঋণ মঞ্জুরি ক্ষমতা শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের আর্থিক ক্ষমতার আওতাভুক্ত হওয়ায় প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন নেয়া হয়নি।

অনুসন্ধানে দুদক মেসার্স লিমা ট্রেডিং নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি। মিরপুর মডেল থানাও জানিয়েছে, ওই ঠিকানায় কখনোই ওই প্রতিষ্ঠান ছিল না। বাড়িমালিক নুরুজ্জামানও একই কথা জানান। তফসিলের সম্পত্তির ক্রয় দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঋণগ্রহীতা লিমা রহমানের স্বামী মুজিবুর রহমান ও তার ভাই হাবিবুর রহমান মোট ২০ শতাংশ জমির মালিক। তার মধ্যে মুজিবুর রহমান ১৩ শতাংশের মালিক। জমাভাগ নথি অনুযায়ী ২০.১ শতাংশ জমি দুই ভাইয়ের নামে রেকর্ড হয়। ঋণ গ্রহণকালে মুজিবুর রহমানের ১৩ শতাংশ জমি ব্যাংকের কাছে বন্ধক দেয়া হয়। বন্ধকি দলিলে জমির চৌহদ্দি যথাযথভাবে উল্লেখ না থাকায় জমিটি নিলামে বিক্রি করে ঋণের অর্থ সমন্বয় করা যায়নি। লিমা রহমান ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করে অন্যের মালিকানাধীন জমি মর্টগেজ দেখিয়ে ১৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

শাখার ঋণ ও অগ্রিমের দায়িত্বে নিয়োজিত শাখা অফিসার শাহাদাত হোসেন দলিলপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ সঠিকভাবে সম্পাদন এবং সংরক্ষণ করেননি। পাশাপাশি ড. মো. হাফিজুর রহমান শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে গ্রাহক নির্বাচন, মঞ্জুরি ও বিতরণ, দলিলাদি সম্পাদন, ঋণগুলো তদারকি বা নজরদারি এবং পরে ব্যাংকের পাওনা আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্রেণিকৃত হয়ে আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এতে ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংক গঠিত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা দলও সরেজমিনে

পরিদর্শনকালে ঋণের বিপরীতে ব্যাংকের অনুকূলে দায়বদ্ধ বন্ধকি সম্পত্তি খুঁজে পায়নি। প্রক্রিয়াটির সঙ্গে জড়িত ড. মো. হাফিজুর রহমান, শাহাদাত হোসেন ও ঋণগ্রহীতা লিমা রহমানকে আসামি করা হয়, যার মামলা নম্বর ১৫। তারা দণ্ডবিধির ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/ ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছন।

দুদকের এজাহারে অভিযোগ করা হয়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে কাগুজে প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সেল টেকনোলজিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের নামে রেকর্ডপত্র তৈরি করে সিসি খাতে ১০ লাখ ও এসএমই খাতে পাঁচ লাখসহ মোট ১৫ টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। ঋণগ্রহীতার নাম কেএম রেজাউল হোসাইন। বন্ধকি সম্পত্তি শনাক্ত ও চিহ্নিত করা ছাড়াই ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর তারিখে সুদসহ পাওনা দাঁড়ায় ৪৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫০৯ টাকা। ২০১১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় করপোরেট শাখায় চলতি হিসাব খোলেন ইউনিভার্সেল টেকনোলজিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক কেএম রেজাউল হোসাইন। তার হিসাবটিতে শনাক্তকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেন সহকারী ব্যবস্থাপক আমীর উদ্দিন। ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর রেজাউল ২০ লাখ টাকার সিসি (হাইপো) ঋণের জন্য আবেদন করেন। ৩১ অক্টোবর ১০ লাখ টাকার সিসি ঋণ মঞ্জুর করা হয়, যার মেয়াদ ছিল ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২১ সালের ১২ জানুয়ারির এক তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, কেএম রেজাউল হোসাইন অন্যের মালিকানাধীন জমি মর্টগেজ দেখিয়ে শাখা কর্মকর্তাদের সহায়তায় ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। শাখা ব্যবস্থাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান ও  শাখা কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বন্ধকি সম্পত্তির অস্তিত্ব যাচাই না করে নিজ ক্ষমতার মধ্যে ১০ লাখ টাকার সিসি ও পাঁচ লাখ টাকার এসএমই লোন দিয়ে একে অন্যের সহায়তায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা দণ্ডবিধির ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/ ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ঘটনায় জড়িত ড. মো. হাফিজুর রহমান, শাহাদাত হোসেন, ঋণগ্রহীতা কেএম রেজাউল হোসাইন ও আমির উদ্দিনকে আসামি করা হয় (মামলা নম্বর ১৪)।

অভিযোগ প্রসঙ্গে হাফিজুর রহমান শেয়ার বিজকে বলেন, ‘আমি আদালত থেকে জামিন নিয়েছি। তদন্ত কর্মকর্তা বন্ধকি সম্পত্তি শনাক্ত করতে পারেননি। বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগ থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছে। ভুয়া অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মামলা করেছে। দুদক সেকেন্ডম্যান, থার্ডম্যান ও ফোর্থম্যানকে ধরেইনি। মামলায় এজিএম হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শাহরিন সুলতানা মালা ও আমিনুল ইসলামের নামই নেই। ক্রেডিট কমিটি ঋণ অনুমোদন দিয়েছে, তাদের নামও এলো না। শাহাদাত হোসেন এক নম্বর আসামি হওয়ার কথা। তাকে করা হয়েছে দুই নম্বর আসামি। আমির উদ্দিন অ্যাকাউন্ট না খুললে তো আমরা লেনদেনও করতে পারতাম না। লিমা ট্রেডিং দুদকের ভয়ে সব টাকা পরিশোধ করে দিয়েছে। সোনালী ব্যাংক লোকাল অফিস শাখা থেকে নেয়া ঋণ ১০০ বছরেও তারা আদায় করতে পারেনি। সেটা কেউ লেখে না। সোনালী ব্যাংক কিছুই করতে পারেনি। ১৮ হাজার কোটি টাকা মাফ করে দিয়েছে।’

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম শেয়ার বিজকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। আর্থিক জালিয়াতি হলে তো দুদকে মামলা হয়ই। আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আসামিদের কেউ তো অবসরে চলে গেছেনÑতখন তিনি বলেন, ‘তাহলে অবসরোত্তর সুবিধা পাবে না। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী মানিসোর্সসহ অন্যান্য মামলা করার সুযোগ আছে। ব্যাংক সেটি করবেও। আমি খোঁজ নিচ্ছি।’

সূত্রঃ শেয়ার বিজ 


Federal Reserve Bank representatives meet BB governor

A meeting was held between a team of the Federal Reserve Bank of the United States and the Bangladesh Bank Governor Abdur Rouf Talukder.

Following the meeting, Bangladesh Bank spokesperson Mezbaul Haque told media that this was a routine meeting which was attended by representatives from the Federal Reserve Bank’s various departments including risk management department, back office, cyber security unit, relationship management department, and Asia Pacific desk of the bank.

The topics of discussion of the meeting include enquiries about any difficulty faced in transaction with the Federal Reserve Bank, how can their service be improved, enquiries about the governor’s action plan for G20 and other global events.

Source: TBS News

World Bank urges prompt fulfillment of conditions for $250m budgetary support

The World Bank (WB) has urged Bangladesh to quickly implement the conditions to receive an additional $250 million as budget support under the Bangladesh Second Recovery and Resilience Development Policy Credit.

Under this loan agreement, the organisation gave $250 million in budget support to Bangladesh in March last year.

At that time, the WB imposed 12 conditions on the country including formulating the national tariff policy, automated invoicing system for income tax, amending the Bank Company Act, formulation and implementation of a reclassification list of social protection etc – most of which have not yet been finally implemented.

On Tuesday, the representatives of the World Bank held a meeting with the Additional Secretary of the Finance Department Rehana Perven. In the meeting, the WB officials urged for the speedy implementation of the conditions.

On condition of anonymity, an official of the finance ministry told The Business Standard that this budget support is very important amid the ongoing dollar crisis in the country. “The implementation of most of the conditions of the World Bank has already started. We will prioritise fulfilling the conditions for getting the loan.”

He said that the World Bank has given 12 conditions for this loan, some of which are under implementation. For example, the National Tariff Policy has already been drafted which will be finalised in an inter-ministerial meeting soon.

Another condition was to introduce an automated invoicing system for income tax and the NBR has already implemented it, said the official.

Besides, initiatives have also been taken to amend the Bank Company Act as per the conditions. The International Monetary Fund has also made amendments to the act as a condition of its $4.7 billion loan.

Other terms of the World Bank include the creation of a public procurement authority. Officials at the finance division said that works to fulfil this condition have already achieved a lot of progress.
To meet the WB conditions, the Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) is implementing a project to develop a National Household Database. The power department has also issued a circular regarding the introduction of public-private partnerships (PPP) in the power transmission sector.

However, there is no progress in fulfilling the conditions such as the formulation and implementation of a reclassification list of social protection, issuing circulars for strengthening corporate governance of state-owned banks and adoption of the Mujib Climate Prosperity Plan.

Source: TBS News