life_insurance

Life insurance claims settlement ratio rises to 72% in 2023

The sector saw improvement in claims settlement ratio due to various initiatives undertaken by the Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA), said its chairman Mohammad Jainul Bari.

The claims settlement ratio for life insurance companies in the country has reached 72% in 2023, marking a significant 5.03% increase compared to the previous year.

The sector saw improvement in claims settlement ratio due to various initiatives undertaken by the Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA), said its chairman Mohammad Jainul Bari at a press conference in Dhaka on Wednesday (28 February) on the occasion of National Insurance Day to be observed on 1 March.

He further announced that Prime Minister Sheikh Hasina will be chief guest at the official programme to be observed to mark the day on 1 March, with Finance Minister Abul Hassan Mahmood Ali in the chair.

Jainul Bari said “Life insurance companies paid Tk8,754 crore out of a total claim amount of Tk12,117 crore in 2023. This translates to a claims settlement ratio of Tk72 for every Tk100 of claims received.”

“To brighten up the image of the insurance sector, the authorities have been directing the insurance companies to give utmost importance to the payment of insurance claims.”

Mohammad Jainul Bari, Chairman, IDRA

The term “claims settlement ratio” refers to the percentage of claims resolved by an insurance provider during a year out of the total claims received. This metric reflects an insurer’s credibility by comparing successful claims resolutions to total customer requests.

In 2023, the claims settlement of the insurance sector rose 4% compared to the previous year, the IDRA chairman said.

He mentioned that 82 authorised insurers are now providing insurance services in the country. Currently 1.71 crore people of the country are covered by insurance. “To brighten up the image of the insurance sector, the authorities have been directing the insurance companies to give utmost importance to the payment of insurance claims,” the IDRA chairman added.

“Corporate Governance Guidelines 2023 and Regulatory Sandbox Guidelines have been issued to modernise the country’s insurance system. Bancassurance has been introduced to market insurance products through banks which will be inaugurated by the PM on Insurance Day. Already five banks have signed an agreement in this regard,” he said.

The IDRA chairman said 19 life insurance companies paid claims around 80–90% while 10 companies paid 70% of claims. “The rest of the companies could not pay claims properly as they were unable to pay. Here, the regulator could not do anything,” he added.

Jainul Bari said IDRA is working with microcredit authorities so that more people are included in the insurance sector. “Besides, numerous tools are pending like solvency margin regulation and risk-based supervision. If it is possible to run these tools, it will play a vital role in building confidence in the insurance sector.”

Industry insiders say a few years ago, the companies used to spend excessively to increase business procurement.

“For instance, to bring fresh Tk100, we used to spend Tk120. This is why it was difficult for life insurance companies to build adequate life funds to meet the claims of policyholders back then,” a senior official told TBS.

 

Source: The Business Standard

Information-Technologyy

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে তথ্যপ্রযুক্তির ৬ কোম্পানির

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে তথ্যপ্রযুক্তির ৬ কোম্পানির

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১১টি কোম্পানির মধ্যে ১০টি কোম্পানির শেয়ার ধারণ তথ্য হালনাগাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে ডিসেম্বর মাসের তুলনায় জানুয়ারি মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৬টি কোম্পানির। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির। আর শেয়ার ধারণ তথ্য হালনাগাদ প্রকাশ করেনি ১টি কোম্পানি। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়া ৬টি কোম্পানি হলো- আমরা টেকনোলজি, এডিএন টেলিকম, বিডিকম অনলাইন, ই-জেনারেশন, জেনেক্স ইনফোসিস এবং ইনটেক লিমিটেড।

ইনটেক লিমিটেড

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ইনটেক লিমিটেডের। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৫৪ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১১.৯৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫.৪৯ শতাংশে। একই সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ০.০৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ০.০৩ শতাংশে। আর পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৫৬.৪২ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১১.৯৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪.৪৯ শতাংশে।

আমরা টেকনোলজি

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৪.৩১ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.২৫ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৩৫.৬৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৯৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪.৭৪ শতাংশে।

এডিএন টেলিকম

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৭.৩৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.৬১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৫.৭২ শতাংশ থেকে ০.২৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৪৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ ১.৯৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিডিকম অনলাইন

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৭.৩৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.০৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৪৪ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৬২.৬২ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.০৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬১.৫৬ শতাংশে।

ই-জেনারেশন

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৮.৮৪ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৪৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯.২৮ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৩২.৮৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৪৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২.৪১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ ০.৫৪ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে।

জেনেক্স ইনফুসিস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে স্পন্সর বিনিয়োগ ছিল ৩০.৩৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০.০৫ শতাংশে। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৩.০৬ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.৯১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.৯৭ শতাংশে। আর বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ০.০০ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.০৪ শতাংশে। এবং পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৪৬.৫৬ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.৬২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪.৯৪ শতাংশে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমা ৩টি কোম্পানি হলো- আমরা নেটওয়ার্ক, অগ্নী সিস্টেমস এবং আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসি।

আমরা নেটওয়ার্ক

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২১.৮১ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪৪ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৪৫.১৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫.৫২ শতাংশে।

অগ্নী সিস্টেমস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৬৭ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.৩৯ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৫৩.৫৭ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩.৮৫ শতাংশে।

আইটি কনসালট্যান্টস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৮.৩০ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৯৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭.৩৩ শতাংশে। একই সময়ে পাবলিক বিনিয়োগ ছিল ৩০.৬১ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৯৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১.৫৮ শতাংশে।

সূত্রঃ শেয়ারনিউজ

p7_lead_nrb-bank-info

NRB Bank makes stock debut Tuesday. What do investors expect?

It will enter the capital market with a face value of Tk10 per share

Infographic: TBS

Infographic: TBS

NRB Bank is set for its trading debut on the country’s stock market on Tuesday, with investors anticipating significant returns from the very first day.

The fourth-generation bank, with the majority of its shares owned by non-resident Bangladeshis, will enter the capital market with a face value of Tk10 per share.

The managing director at a brokerage firm told The Business Standard that the private sector lender witnessed a remarkable response to its initial public offering (IPO) subscription, with the subscription amounting to 3.91 times higher than the allocated shares.

He also noted that investors have received favourable returns from recent IPO shares like Best Holdings and Sikder Insurance. As a result, investors are expecting promising returns from NRB Bank shares as well.

General investors were allotted 255 primary shares in NRB Bank, while non-resident Bangladeshis received 209 shares against a Tk10,000 deposit.

Earlier, on 9 November, the bank received approval from the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) to raise Tk100 crore.

The lender plans to invest Tk92 crore in government securities, Tk4.17 crore in the secondary market, and the remainder to cover IPO expenses.

However, other fourth-generation banks that were listed in recent years failed to meet investors’ expectations, as they did not generate significant returns from their IPO shares.

Global Islami Bank and Union Bank are currently trading below their face value of Tk10 each, while Midland Bank, SBAC Bank, and NRB Bank shares are hovering between Tk12 and Tk14.

What EBL Securities says

One of the leading brokerage firms, EBL Securities, published a report on the financial strength of NRB Bank on its website on 25 February.

The broker noted that NRB Bank exhibited a 5-year compound annual growth rate (CAGR) of 16% in loans and advances and 18% in deposits from 2018 to 2022.

These figures surpass the industry average of 12% for loans and 10% for deposits, indicating the bank’s strong performance in deposit mobilization and loan disbursements.

The bank has the potential to further enhance its interest rate spread and net interest margin by strategically minimising the cost of funds, the report added.

But investors have concerns about the bank’s profitability due to surging non-performing loans.

The EBL Securities report highlighted a potential concern for investors, noting that the non-performing loan ratio of the bank rose significantly to 6.1% by September of last year, compared to 3.2% in 2022.

Furthermore, the report emphasised that the return on assets and return on equity of the bank are considerably lower than the industry average. This suggests that the bank has encountered notable challenges in effectively utilising its assets to generate satisfactory returns for its stakeholders.

 

Source: The Business Standard

Electricityy

প্রচ্ছদ / শেয়ারবাজার / বিস্তারিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মুনাফা বেড়েছে ৭ কোম্পানির

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মুনাফা বেড়েছে ৭ কোম্পানির

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে এই পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ সমাপ্ত প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ১৯টি কোম্পানি। এরমধ্যে মুনাফা বেড়েছে ৭টি কোম্পানির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মুনাফা বাড়ার ৭ কোম্পানি হলো- সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, ডরিন পাওয়ার, যমুনা অয়েল, এমজেএল বাংলাদেশ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি এবং শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭৪ পয়সা।

ডরিন পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ০৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭৬ পয়সা।

যমুনা অয়েল

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা।

এমজেএল বাংলাদেশ

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ০৫ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ০১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৬ পয়সা।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ০৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৩৪ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৭ টাকা ০৪ পয়সা।

পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩ টাকা ০৮ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৯১ পয়সা।

সূত্রঃ শেয়ারনিউজ

p7_bsec-appoints-independent-directors-in-meghna-pets-board

BSEC appoints directors at Meghna Pet to protect investors

In directing the nomination or appointment of the new directors in mid-January, the market regulator recommended selecting a chairman from among the independent directors.

Infographics: TBS

Infographics: TBS

The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has appointed four independent directors to the board of Meghna Pet Industries Limited, which has been closed for years, in order to protect the interests of investors.

In directing the nomination or appointment of the new directors in mid-January, the market regulator recommended selecting a chairman from among the independent directors.

Meghna Pet, a concern of Meghna Group of Industries KA, has been facing tough times, resulting in years of losses and shareholders being deprived of any returns in the form of dividends from the company.

According to the BSEC letter sent to the company, the newly appointed directors are: Amalendu Mukherjee, former additional secretary of the Financial Institutions Division; Shaikh Masrik Hasan, associate professor of the finance department at Jagannath University; Mohammad Moniruzzaman, associate professor at the accounting and information system department at Dhaka University; and M Nurul Alam, chief executive officer of MNA Associates.

The BSEC appointments come in compliance with a condition outlined in a directive issued in 2020, which relates to ensuring that sponsor-directors of a listed company jointly hold 30% shareholding of its paid-up capital.

No officials could be contacted regarding the matters as the company did not provide any contact person, such as a company secretary, at the Dhaka Stock Exchange (DSE).

The regulator has also decided to review the eligibility and role of the existing two independent directors, ATM Ataur Rahman and Engineer Md Nurul Islam, on the board.

According to the BSEC letter, the company should seek approval from the commission to continue the independent directors in line with the Corporate Governance Code of 2018.

In September of last year, the DSE found that the operations of Meghna Pet Industries had been closed for years, and the information about the factory closure was disseminated through its website. After the disclosure, no information was provided regarding the resumption of its operations or factory activities.

In April 2022, the securities regulator formed a four-member committee to investigate the business activities of Meghna Pet Industries along with another peer firm, Meghna Condensed Milk.

According to an inquiry report, the BSEC found multiple irregularities at the listed pet bottle-maker in 2023 and fined its Chairman Muhammad Zakaria and Managing Director MF Kamal Tk1 crore each, and three directors Wali Ullah, Kabir Ahmed, and Abu Taher Tk50 lakh each for violating securities laws.

After visiting the factory premises and head office of Meghna Pet last year, an investigation team submitted a report to the enforcement department of the BSEC. The team found that Meghna Pet’s production had been suspended since 2004, but the company did not disclose this news as price-sensitive information.

The company showed Tk2.26 crore worth of inventories in its report, but according to the BSEC team, there were no inventories in its factory. Furthermore, the company’s management failed to provide evidence to authenticate its loans and deposits.

The commission called the company’s owners and management to a hearing to defend themselves against the findings of the inquiry team. During the hearing, Meghna PET Director Alamgir Hossain and Company Secretary provided a written statement to the BSEC.

“We have several complexities in separating the two groups. The Kha group always tries to harass us. They have even occupied our land without handing it over to us. Besides, we have a capital crisis. And because of these reasons, we are not able to do business,” Hossain wrote in the statement.

Meghna Pet started its business in 1997, mainly producing PET (Polyethylene Terephthalate) bottles. It was listed on the stock exchange in 2001. Currently, the company’s paid-up capital is Tk12 crore, and its shares closed at Tk35.4 each at the DSE on Tuesday.

As of January 31st, sponsors and directors jointly held 43.55%, and general investors held 56.45% of the company’s shares.

 

Source: The Business Standard

NRB-Bank

General investors get 255 IPO shares of NRB Bank

The IPO was oversubscribed by 3.61 times

General investors were allotted 255 shares in the initial public offering (IPO) of NRB Bank, while non-resident Bangladeshis (NRBs) received 209 shares against a Tk10,000 deposit.

The Dhaka Stock Exchange (DSE) allocated the IPO shares of the bank on a pro-rata basis.

The IPO was oversubscribed by 3.61 times, as stated in a DSE press release.

Earlier, on 9 November, the bank received approval from the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) to raise Tk100 crore through issuing new shares at Tk10 each under the IPO.

The bank will invest Tk92 crore in government securities, Tk4.17 crore in the secondary market and Tk3.83 crore to meet its IPO expenses.

According to the financial report of January to September of 2023, its consolidated net profit after tax stood at Tk16 crore and earnings per share at Tk0.27, which was Tk55 crore and Tk0.94 respectively in 2022.

As on 30 September 2023, its net asset value per share stood at Tk12.72.

According to the prospectus of the bank, at the end of September 2023, its non-performing loan (NPL) ratio stood at 6.10% of the total outstanding, which was 3.22% a year ago.

NRB Bank, established in 2013, launched a wide variety of products and services under different categories such as retail banking, SME banking, NRB banking, corporate banking, and e-banking.

 

Source: The Business Standard

vbbg

DSE launches online platform for real-time data submission

Rupali Chowdhury says BAPLC will support unautomated companies to utilise the platform

The Dhaka Stock Exchange (DSE) yesterday launched “Smart Submission System of DSE”, an online data submission platform for listed firms, aiming to ease hassles and reduce error.

With the help of its strategic partner Shenzhen Stock Exchange (SZSE), the premier bourse introduced the system, in which the issuer companies from now on will be able to submit their information online.

At the launching event of the system at DSE office, ATM Tariquzzam, managing director of the bourse, said the platform will help issuers to be compliant with rules. Besides, there will be realtime information transfer between issuers and investors.

“Therefore, the market will be efficient based on proper information, and irregularities in the market will also come down,” he added.

Calling the system a “timely initiative,” Rupali Chowdhury, president of the Bangladesh Association of Publicly Listed Companies said, “Companies will be the biggest beneficiaries of this system.”

She said integrating the platform will not be an issue for large companies like Berger or Grameenphone. However, companies that are not automated will have some trouble initially. The association will support those to utilise the platform.

“The requirements of stock exchanges and the regulator are the same, but we had to submit information in three mediums. Now with one medium, it will be much easier for the issuers,” she expressed.

Earlier, the issuers had to submit information through traditional means of communication such as FAX, letter, email, and courier, or even post. After receiving the information, the DSE used to disseminate them manually.

This information consists of price sensitive information, yearly, half-yearly and quarterly financial data, meetings, record dates, shareholding status, dividend status, and expansion of business among others.

Professor Hafiz Md Hasan Babu, chairman of the DSE said, “To make the capital market smart, its operations should be made paperless. And that paperless journey has started today with the launch of this platform.”

Steps against non-compliance 

When asked why the DSE is not taking action against non-compliant companies, Dhaka bourse officials explained that while the DSE has the authority to do so, it must first go through the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) to take direct action.

Citing an example, Md Rabiul Islam, head of listing affairs, said the DSE once delisted Rahima Food Corporation and Modern Dyeing Limited for closure of operation for six months. But later, the BSEC in a notification re-listed them to the market.

Md Rabiul Islam presented the keynote, where he sheds light on the purpose, usage and technical framework of the software and various modules.

 

Source: The Business Standard

NRB-Bank

এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে আবেদন কয়েকগুণ

এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে আবেদন কয়েকগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা এনআরবি ব্যাংক প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সংরক্ষিত শেয়ারের বিপরীতে কয়েকগুণ আবেদন জমা পড়েছে। ব্যাংকটি আইপিওতে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার জন্য ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছিল।

এনআরবি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশে বসবাসকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৭০ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত ছিল। এর বিপরীতে ২৭৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা নির্ধারিত সংখ্যার প্রায় ৪ গুণ।

অন্যদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ৫ কোটি টাকার শেয়ার। এর বিপরীতে ২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন জমা পড়েছে, যা প্রায় ৫ গুণ।

এছাড়াও, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে তাদের জন্যে বরাদ্দকৃত ২৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৬২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার আবেদন করেছে যা প্রায় আড়াই গুণ।

Source: শেয়ারনিউজ

dhaka_stock_exchange_limited

DSE allows listing of IFIC-guaranteed bond on alternative trading board

A member of the DSE board, seeking anonymity, told The Business Standard that the board during its Wednesday meeting authorised the listing and commencement of trading of the bond starting from Thursday.

The Dhaka Stock Exchange (DSE) has approved the listing of the IFIC Guaranteed Sreepur Township Green Zero Coupon Bond on the alternative trading board (ATB).

A member of the DSE board, seeking anonymity, told The Business Standard that the board during its Wednesday meeting authorised the listing and commencement of trading of the bond starting from Thursday.

In July last year, the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) approved Sreepur Township Limited to raise Tk1,000 crore (with a face value of Tk1600cr) through private placement for issuing a bond with a five-year tenure.

Subsequently, in October 2023, the BSEC sanctioned the commencement of the subscription process for the IFIC Guaranteed Sreepur Township Green Zero-coupon bond.

Following the completion of the subscription, Sreepur Township submitted an application to the DSE for listing on the ATB in December.

According to the information memorandum (IM) of the bond, Sreepur Township Limited is raising capital through bonds to fund the development, construction, and sale of the Sreepur Township Green Real Estate Project.

The project encompasses 76 lakh square feet of space in Gazipur, including 53 lakh square feet for commercial purposes and 23 lakh square feet for residential use. The total land area for the project spans 37 acres, with an anticipated project cost of Tk6,095 crore and expected revenue of Tk6,585 crore.

The yield to maturity ranges from 12% to 12.68% per annum. IFIC Bank serves as the guarantor, IFIC Investment acts as the arranger, and Sandhani Life Insurance Limited functions as the trustee for the bond.

Source: The Business Standard
bu_logo

সৌদি প্রতিষ্ঠানকে আইটি অবকাঠামো সেবা দেবে জেনেক্স ইনফোসিস

সৌদি প্রতিষ্ঠানকে আইটি অবকাঠামো সেবা দেবে জেনেক্স ইনফোসিস

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড সৌদি আরবভিত্তিক কোম্পানি রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বাংলাদেশ লিমিটেড (আরএসজিটি) এর সাথে একটি সেবা প্রদান চুক্তি করেছে।

আজ সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় আলোচিত চুক্তিটি অনুমোদন করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে জেনেক্স ইনফোসিস চট্টগ্রামে অবস্থিত পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বাংলাদেশ লিমিটেডকে আইটি অবকাঠামো তৈরি করে দেবে। এই কাজের মাধ্যমে আগামী এক বছরে জেনেক্স ইনফোসিসের রাজস্ব আসবে ২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

উল্লেখ, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বাংলাদেশ লিমিটেড চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।

কোম্পানিটি আগামী ২২ বছর এই টার্মিনাল পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে এই বিষয়ে কোম্পানিটির একটি চুক্তিও হয়েছে।

 

Source: শেয়ারনিউজ