Keep provision against loss in securities investments Bangladesh Bank asks banks

Banks will have to keep provisions if the market price of the investments made in listed and non-listed companies falls or their net worth deteriorates, according to the central bank.

If the net worth — the difference between assets and liabilities — of the investment in non-listed companies declines, banks will have to set aside provisions in proportion to the funds invested, said the Bangladesh Bank in a circular yesterday.

The instructions will come into effect on June 30.

The notice said if non-listed companies go out of business or have no visible activities, lenders will have to keep provisions against their entire investments.

If banks don’t get interest or dividend from their investments in non-convertible cumulative preference shares, they will have to keep a provision equivalent to 25 per cent of the investments in the first year.

Another 25 per cent provision will have to be kept in the second year and it would go up to 100 per cent in the third year if the interest or dividends remain unrealised.

The same provision rates will be applied if the profit or coupon payments remain due in the case of non-convertible bonds and debentures.

When the surrender price drops below the purchase price regarding the investments in open-ended and non-listed mutual funds, banks will have to keep a provision that is equivalent to the gap between the two values, the BB notice said.

The surrender value is the actual sum of money mutual fund-holders receive if they try to access the cash value of the investments.

In the case of investments in listed securities, banks have been asked to set aside provisions if the last trading price of a stock, bond, debenture, perpetual instrument and mutual fund unit slips below the price at which they are bought.

Banks have to maintain the provision on a quarterly basis, the BB added.

Source: The Daily Star

Abdur Rouf

Enforcing rules by CEOs may cut banks’ NPLs -BB governor says

Abdur Rouf Talukder

Corporate governance and non-performing loans are now the burning issues in the country’s banking sector, said Bangladesh Bank Governor Abdur Rouf Talukder yesterday.

Only enforcing prudential guidelines and strong rules by top management, like chief executive officers of banks, may solve the NPL issue, he said while inaugurating a summit.

The two-day summit titled “Banking on Digital Transformation” was organised by the Association of Bankers, Bangladesh (ABB) at Pan Pacific Sonargaon Dhaka.

“We need to bring in cultural changes and enforce ethics and good practices in the banking sector. So training and proper education should be offered to the workforce,” he said.

Default loans in the banking sector increased 16.8 per cent year-on-year to Tk 120,656 crore in 2022.

“Not only are we emphasising on digitalising the existing legacy system, but soon we will introduce a digital bank in the country,” he said.

The central bank is also planning to introduce an online and real-time based credit scoring system very soon, said Talukder.

“We are very close to issuing our own national debit card,” he said.

There will be newer risks with newer business models. When banks are getting bigger across diverse jurisdictions, they need to address what kind of risks they are facing with the new business models, he said.

“A good governance framework and effective risk and compliance will help banks keep a safe distance from risks,” Talukder said.

The two-day event brought together more than 150 participants from Bangladesh’s 46 commercial banks, aiming to explore the digital transformation journey of the banking industry in the country.

Banks worldwide were now embarking on a digital transformation journey in response to customers’ demand for greater convenience and Bangladeshi banks are no exception, said Selim RF Hussain, chairman of the ABB.

Banks in Bangladesh are investing heavily in building a robust IT infrastructure, including core banking and card systems, ATMs, internet banking, digital apps, and various digital banking solutions, to cater to evolving customer needs, he said.

“We are in the age of the 4th industrial revolution, and technology is challenging the status quo and changing the banking landscape every day,” he said.

“We must align our people to adopt new ways of doing things using technology and leaving behind traditional methods,” he added.

Joydeep K Roy, a partner at PricewaterhouseCoopers, presented a paper styled “The next banking evolution in Bangladesh – Driven by digital transformation” at the event.

In 2021, around 23 per cent of the population in Bangladesh aged above 15 years did not have a bank account because of geographical barriers, he said.

In addition, only 16.3 per cent of the population in Bangladesh aged above 15 had borrowed any money from banks or other formal financial institutions, he said.

Source: The Daily Star
Screenshot 2023-05-28 120347

ব্যবসা খারাপ বেশির ভাগ কোম্পানির

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদন ও সেবা খাতের ২০৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১৯টিরই ব্যবসা খারাপ হয়েছে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে। তাতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে কোম্পানিগুলো।

দেশের উৎপাদনশীল খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির ব্যবসায় খারাপ যাচ্ছে। নানামুখী সংকটে উৎপাদন ও বিক্রি কমে যাওয়ায় এসব কোম্পানি ভালো ব্যবসা করতে পারছে না। তবে কোনো কোনো কোম্পানির বিক্রি বাড়লেও উৎপাদন খরচ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় তাদেরও মুনাফায় টান লেগেছে।

দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সেবা ও শিল্প খাতের ২০৪টি কোম্পানির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি–মার্চ) সঙ্গে গত বছরের একই সময়ের আর্থিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১৯টিরই ব্যবসা গত বছরের তুলনায় খারাপ হয়েছে। ব্যবসায় ভালো করেছে ৮১টি, অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানি মোট ২৪১টি। এর মধ্যে ৩৭টি তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় সেগুলোর ব্যবসা পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে যেসব খাতের ব্যবসার চিত্র বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, খাদ্য, বিদ্যুৎ–জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, পাট, পেপার ও প্রিন্টিং, ওষুধ–রসায়ন, সেবা ও আবাসন, চামড়া, টেলিযোগাযোগ, বস্ত্র এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি। শিল্প না হওয়ায় ব্যাংক, বিমা ও ব্যাংক–বহির্ভূত আর্থিক খাত, মিউচুয়াল ফান্ড ও বন্ডকে এ পর্যালোচনায় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, দেশের বড় বড় করপোরেট শিল্পগোষ্ঠীভুক্ত কোম্পানিগুলোর ব্যবসাও খারাপ হয়ে গেছে। এসব করপোরেট শিল্পগোষ্ঠীর কোম্পানিগুলো আগের বছরের তুলনায় বেশি আয় করলেও মুনাফা কমেছে।

কোম্পানির উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট, শিল্পের কাঁচামাল ও গ্যাস–বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াকে ব্যবসা খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ব্যবসা পরিস্থিতির সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে গত এক সপ্তাহে প্রথম আলোর এ প্রতিবেদক ২০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে। তার মধ্যে ৬ জন উদ্যোক্তা, ১০ জন কোম্পানির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ৪ জন শেয়ারবাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (যাঁরা কোম্পানির তথ্য পর্যালোচনার সঙ্গে যুক্ত)।

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানের ৩০টি কোম্পানি নিয়ে ডিএস–৩০ নামে আলাদা একটি সূচকও রয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন ও সেবা খাতের কোম্পানি ২৩টি। এই ২৩ কোম্পানির মধ্যে ১১টির মুনাফা কমেছে, ৩টি লোকসান করেছে, ৭টির মুনাফা বেড়েছে, ১টির মুনাফা অপরিবর্তিত ছিল। আর একটি হিসাব দেয়নি। মুনাফা কমে যাওয়া কোম্পানির মধ্যে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি কোম্পানি, ওরিয়ন ফার্মা, রেনেটা, তিতাস গ্যাস, পাওয়ার গ্রিড, ইউনাইটেড পাওয়ারের মতো কোম্পানি।

খাতভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা খারাপ গেছে চামড়া ও সিরামিক খাতের কোম্পানিগুলোর। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বস্ত্র ও প্রকৌশল খাত, বিদ্যুৎ–জ্বালানি এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি। তার বিপরীতে ভালো ব্যবসা করেছে খাদ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, সিমেন্ট, সেবা ও আবাসন এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানিগুলো। যেসব কোম্পানির উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ডলারের বিষয়টি জড়িত, সেসব কোম্পানির ব্যবসা বেশি খারাপ হয়েছে। পণ্যের দাম বাড়িয়েও এসব কোম্পানি বাড়তি খরচ সামাল দিতে পারছে না।

পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি,তবু মুনাফায় টান

সিরামিক খাতের বহুজাতিক কোম্পানি আরএকে সিরামিকস চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গত বছরের একই সময়ের মতোই ২০১ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। কিন্তু গত বছর কোম্পানির মুনাফা ছিল সোয়া ২৪ কোটি টাকা, আর এবার কমে হয়েছে ১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ দাম বাড়ানোর পরও কোম্পানিটির মুনাফা ৩৩ শতাংশের বেশি কমে গেছে এ বছর।

আরএকে সিরামিকসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সাধন কুমার দে সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, ডলার–সংকট, গ্যাসের স্বল্পতা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সিরামিক খাতে উৎপাদন খরচ ৫৫-৫৬ শতাংশ বেড়ে গেছে। অথচ গত এক বছরে দুই দফায় দাম বেড়েছে মাত্র ১৮ শতাংশ। ফলে খরচ যতটা বেড়েছে, সেই অনুযায়ী দাম বাড়েনি। তাই মুনাফায় টান লেগেছে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি স্কয়ার ফার্মা চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটি ১ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। গত বছরের চেয়ে এ বছর স্কয়ার ফার্মা ১৪৫ কোটি টাকা বা ৯ শতাংশ বেশি ব্যবসা করেছে। তারপরও কোম্পানিটি গত বছরের চেয়ে ২১ কোটি টাকা কম মুনাফা করেছে। গত বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৪৪৭ কোটি টাকা, এ বছর তা কমে হয়েছে ৪২৬ কোটি টাকা।

স্কয়ার ফার্মার প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ডলার–সংকট, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ–জ্বালানি বাবদ খরচ বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের চেয়ে বেশি ব্যবসা করার পরও মুনাফা কমে গেছে।

ভালো করল যারা

ডিএস–৩০–ভুক্ত কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে ভালো ব্যবসা করেছে কক্সবাজারের সি পার্ল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের চেয়ে ৯ গুণ বেড়েছে। গত বছরের প্রথম তিন মাসে হোটেলটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল মাত্র ৩৫ পয়সা। এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ৩ টাকা ১৩ পয়সা। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় হোটেলে অতিথির সংখ্যা বেড়েছে। এ ছাড়া এ বছর নতুন একটি নন–এসি রেস্টুরেন্ট চালু করা হয়েছে। নতুন এ রেস্টুরেন্ট থেকে কোম্পানিটি তিন মাসে ২৬ কোটি টাকা আয় করেছে। পাশাপাশি হোটেলটির ওয়াটার পার্ক থেকে গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি আয় হয়েছে।

ডিএস–৩০ সূচকভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে সিমেন্ট খাতের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জহোলসিম। এ বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের চেয়ে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এরপর মুনাফার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ইস্পাত খাতের কোম্পানি বিএসআরএম লিমিটেড, ঢাকার ওয়েস্টিন ও বনানী শেরাটন হোটেলের মূল মালিকানা প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, জ্বালানি খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।

ডিএস–৩০ সূচকের বাইরে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফা করেছে প্রিমিয়াম সিমেন্ট। গত বছরের চেয়ে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির মুনাফা ২০ গুণ বেড়েছে। গত বছর কোম্পানিটির মুনাফা ছিল মাত্র দেড় কোটি টাকা। এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ৩১ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমীরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, সংকটের মধ্যেও আমরা বিক্রি ও দাম বাড়িয়ে মুনাফা করেছি। কারণ, সিমেন্ট খাতে বিক্রি বাড়লে উৎপাদন খরচ কমে আসে।

খারাপ করল যারা

শেয়ারবাজারে সবচেয়ে ভালো হিসেবে পরিচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ করেছে সরকারি দুই কোম্পানি তিতাস গ্যাস ও পাওয়ার গ্রিড। এ বছরের প্রথম তিন মাসে তারা লোকসান করেছে। পাশাপাশি ওষুধ খাতের বেসরকারি কোম্পানি বিকন ফার্মাও লোকসানে চলে গেছে। গত বছরের প্রথম তিন মাসে বিকন ফার্মা প্রায় ২৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। এ বছর সেখানে লোকসান করেছে ১ কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়া খারাপ করেছে চামড়া খাতের কোম্পানি ফরচুন শু, বিবিএস কেব্‌লস, বেক্সিমকো লিমিটেড, রেনেটা ও ওরিয়ন ফার্মা। এর মধ্যে বেক্সিমকো লিমিটেড গত বছরের প্রথম তিন মাসে পৌনে ৪০০ কোটি টাকা মুনাফা করলেও এ বছর মুনাফা কমে দাঁড়ায় ১১১ কোটি টাকায়।

বিনিয়োগে স্থবিরতা, টিকে থাকায় চ্যালেঞ্জ

মুনাফা কমে যাওয়ায় কোম্পানিগুলো এখন নতুন করে বিনিয়োগে যাচ্ছে না। টিকে থাকাটাই বেশির ভাগ কোম্পানির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি বস্ত্র খাতে। কারণ, এ খাতে বেশির ভাগ কোম্পানির ব্যবসা খারাপ।

বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলীর কোম্পানি ম্যাকসন্স স্পিনিং। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি ৪১ কোটি টাকা লোকসান করেছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ১৯ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কোম্পানিতে আগে মাসে গড়ে গ্যাসের বিল ছিল সোয়া দুই কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পর এখন তা বেড়ে সোয়া পাঁচ কোটি টাকা হয়েছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় কমেছে উৎপাদনক্ষমতা। ঋণের সুদও বেড়েছে। সব মিলিয়ে খরচ যেভাবে বেড়েছে, তা বিদ্যমান আয়ে সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।’

কোম্পানির উদ্যোক্তারা বলছেন, সময় এখন টিকে থাকার। এ অবস্থায় নতুনভাবে বিনিয়োগ করে ঝুঁকি বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বেশির ভাগ কোম্পানিরই।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সাময়িক হিসাবে চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

ব্যবসা খারাপের প্রভাব কী

কোম্পানির ব্যবসা খারাপ হলে তার প্রথম ধাক্কা লাগে মুনাফায়। আর মুনাফা কমতে থাকলে কোম্পানিগুলো খরচ বাঁচানোর নানা উপায় খুঁজতে থাকে। তখন কর্মী ছাঁটাইয়ের আতঙ্কও বেড়ে যায়। তবে এখনো কোম্পানিগুলো সেভাবে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছে না। পণ্যমূল্য বাড়িয়েই বেশির ভাগ কোম্পানি মুনাফা ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনীতিতে যে সংকট চলছে, তারই প্রভাব আমরা ব্যবসায় দেখছি। বিশ্ববাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় রপ্তানি খাতের কোম্পানিগুলো ভুগছে। আর দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে চাহিদা সংকুচিত হচ্ছে। সামগ্রিক অর্থনীতির সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরাও একধরনের দুষ্টচক্রে পড়ে গেছেন। দেশের সামগ্রিক যে অবস্থা, তাতে উদ্যোক্তাদের সহায়তারও সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো 

NBFIs interest rate spread falls 60% in a month

Infographic: TBS

Infographic: TBS

The interest spread of non-bank financial institutions (NBFIs) experienced a significant decline of 60% in April compared to the previous month due to an increase in non-performing loans within the sector.

People concerned said when the interest rate spread decreases, it directly impacts the income of the institution. For non-bank financial institutions to operate effectively, it is recommended to maintain a minimum interest spread of 3% to ensure financial stability and sustainability.

The interest rate spread refers to the difference between the interest rate at which banks or NBFIs lend money and the interest rate at which they accept deposits. It represents the gap between the rates paid for obtaining funds and the rates at which they charge borrowers.

According to the central bank data, NBFIs are currently collecting deposits at an average interest rate of 7.83%. However, the interest rate on loans stands at 8.27%. Consequently, the interest rate spread for NBFIs has narrowed down to 0.44%.

In March, they were receiving an interest rate of 8.89% on loans, resulting in an interest rate spread of 1.11%.

However, the interest rate spread has experienced a significant decline despite a slight increase in deposit interest rates. This decline can be attributed to the decrease in loan rates, which has impacted the overall interest rate spread.

Kyser Hamid, managing director and CEO of Bangladesh Finance Ltd, said the average interest rate of bank loans decreases due to the rise in non-performing loans. Consequently, this decline in loan rates leads to a decrease in the interest spread as well.

He explained that there has not been a significant increase in the deposit or lending rates of non-bank financial institutions (NBFIs). In the case of weaker NBFIs, non-performing loans have not decreased, and their cost of deposits has actually risen. Consequently, the interest spread of these institutions has turned negative in several cases.

As per the central bank’s data, out of the 30 non-bank financial institutions currently operating in the country, 10 of them have negative interest spreads. People’s Leasing and Financial Services, which was severely affected by the PK Halder scam, is experiencing the highest negative interest spread of 11.31%.

Mominul Islam, managing director and CEO of IPDC Finance, said that non-bank financial institutions are currently facing higher interest expenses for loans obtained from banks. As a result, the overall costs for many institutions have increased.

“Additionally, NBFIs are finding it challenging to compete with banks due to the interest rate cap. Despite being in a good position, our interest spread has experienced a decline of 70 basis points in the January-March period of this year compared to the same period last year,” he said.

If we face such a situation, the pressure on small and medium NBFIs must be more, he added.

Under the current rules set by the central bank, non-bank financial institutions (NBFIs) are permitted to charge 7% interest on deposits and 11% interest on loans. However, there has been a verbal allowance from the central bank, allowing NBFIs to accept deposits at a maximum interest rate of 8%.

However, NBFIs are not complying with this either. Some 10 NBFIs paid more than 8% interest while collecting deposits last April. People’s Leasing and Financial Services is giving the highest 11.40%.

Other NBFIs with high deposit interest rates are Uttara Finance, Prime Finance, Aviva Finance, Fareast Finance, Premier Leasing, Meridian Finance, CVC Finance, Lankan Alliance Finance and LankaBangla Finance. However, several NBFIs reported not getting deposits even with high-interest rates.

Md Golam Sarwar Bhuiyan, managing director of Industrial and Infrastructure Development Finance Company, told The Business Standard, that the banks have now increased the deposit rate. Now if the NBFIs do not raise the deposit rate, they will not get the deposit.


No currency swap, partial trade with India now in rupee only

Bangladesh and India will settle a portion of bilateral trade transactions in rupee, not through the taka-rupee swap that has been under extensive discussions over the past few months.

The Bangladesh Bank has permitted Sonali Bank and Eastern Bank Limited (EBL) to open nostro accounts in rupee with the State Bank of India and ICICI Bank.

Only the income earned in rupee from exports can be deposited into these accounts. And the money deposited in these accounts can only be used to meet the cost of goods and services imported from India.

Source: The Business Standard
Screenshot 2023-05-28 120817

অন্যরা খেলাপি ঋণ কমাচ্ছে, বাংলাদেশ কেন পারে না

বেশির ভাগ দেশ বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে খেলাপি ঋণ কমিয়েছে। কিন্তু কার্যকর উদ্যোগের অভাবে তা কমাতে পারছে না বাংলাদেশ।

খেলাপি ঋণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থানটি এখন শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের দখলে। এই দুই দেশ বাদে সবাই খেলাপি ঋণ ক্রমান্বয়ে কমাচ্ছে। ইউক্রেন, ইরাক বা লেবাননের মতো সংকটে থাকা দেশগুলোরই খেলাপি ঋণ অনেক বেশি। বাকি দেশগুলো মূলত আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, নজরদারি বৃদ্ধি, শাস্তি প্রদান, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা না দেওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণ আদায় এবং দুর্বল ব্যাংক বন্ধ বা অন্যের সঙ্গে একীভূত করেই খেলাপি ঋণ কমিয়ে এনেছে।

খেলাপি ঋণ কমাতে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির মাধ্যমে। দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, মালয়েশিয়াসহ অনেক দেশ সরকারি পর্যায়ে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন করে খেলাপি ঋণ আদায় করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এখন বাংলাদেশকে এ ধরনের কোম্পানি গঠনের পরামর্শ দিয়েছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

বিমা ছাড়া কোনো গাড়িই চলতে পারবে না রাস্তায়

আইন সংশোধনের পর থেকে সড়কে চলা সব গাড়ির বিমা থাকতে হবে, নইলে গুনতে হবে জরিমানা
আইন সংশোধনের পর থেকে সড়কে চলা সব গাড়ির বিমা থাকতে হবে, নইলে গুনতে হবে জরিমানাফাইল ছবি

মোটরসাইকেল, যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত ও অফিশিয়াল গাড়ি, ট্রাকসহ কোনো ধরনের যানবাহনই বিমা ছাড়া আর সড়কে চলাচল করতে পারবে না। বিমা ছাড়া চললে জরিমানা গুনতে হবে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত। মামলাও করতে পারবে পুলিশ। এমন সব ধারা যুক্ত করে আইন সংশোধনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গত সোমবার চিঠি পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। আজ আমি বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলব। এরপর বাকি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ সূত্রগুলো জানায়, আইন সংশোধন হতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে।

সড়কে যান চলাচলে আগেও বিমা করা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে ২০১৮ সালে আইন করে তা তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত জাতীয় বিমা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমা ছাড়া যাতে কোনো যানবাহন চলাচল করতে না পারে, সে জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ওই দিন বলেছেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে দেখব যে যথাযথ বিমা ছাড়া সড়কে কোনো যানবাহন যেন না চলে। এ ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যকেই আইন সংশোধনের ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সূত্রগুলো জানায়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ ব্যাপারে আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সারসংক্ষেপ পাঠালে প্রধানমন্ত্রী তাতে হুবহু অনুমোদন করেন বলে সূত্রগুলো জানায়। সারসংক্ষেপে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮–এর ধারা সংশোধনের যুক্তি হিসেবে বলা হয়, বিশ্বের কোনো দেশই বিমা ছাড়া সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করে না।

দেশের সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন ধরনের মোট যানবাহন ৫৬ লাখ ৬১ হাজার ৪১৮টি। এ হিসাব ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জানিয়েছে, বিমা করা বাধ্যতামূলক না থাকায় এগুলো থেকে প্রতিবছর কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বাবদ ৮৪৯ কোটি টাকা ও স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ ২৮ কোটি টাকা অর্থাৎ ৮৭৭ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

বিদ্যমান সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮–এর ৬০ ধারার অধীনে যাত্রী বা মোটরযানের বিমা নিয়ে চারটি উপধারা আছে। একটি উপধারায় বলা আছে, কোনো মোটরযানের মালিক বা প্রতিষ্ঠান ইচ্ছা করলে তাঁর মালিকানাধীন যেকোনো মোটরযানের জন্য যে সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্টকৃত, তাঁদের জীবন ও সম্পদের বিমা করতে পারবে।

আরেক উপধারায় বলা আছে, মোটরযানের মালিক বা প্রতিষ্ঠান তাঁর অধীন পরিচালিত মোটরযানের জন্য যথানিয়মে বিমা করবেন এবং মোটরযানের ক্ষতি বা নষ্ট হওয়ার বিষয়টি বিমার আওতাভুক্ত থাকবে এবং বিমাকারীর মাধ্যমে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।

আরেক উপধারায় বলা আছে, মোটরযান দুর্ঘটনায় পড়লে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা নষ্ট হলে ওই মোটরযানের জন্য আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না। আবার বলা হয়েছে বিমার শর্ত, বিমার দায়দায়িত্বের সীমা, বিমার দেউলিয়াত্ব, বিমা-দাবি পরিশোধ, বিরোধ-নিষ্পত্তি, বিমা সনদের কার্যকারিতা ও তা হস্তান্তর এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয় বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সড়ক পরিবহন আইনে যানবাহনের যাত্রীর জন্য বিমাকে বাধ্যতামূলকের পরিবর্তে বরং ঐচ্ছিক করা হয়েছে। আবার আরেক উপধারায় ‘যথানিয়মে বিমা করবেন’ বলে যে উল্লেখ করা হয়েছে, তা লঙ্ঘন করলে কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।

যদিও আইনের ৯৮ নম্বর ধারায় শাস্তির বিধানের কথা বলা আছে। কিন্তু এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিভ্রান্তি দূর করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এক পরিপত্র জারি করে বলেছে, আইনের তিনটি উপধারা অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের ঝুঁকি বিমা বাধ্যতামূলক নয় এবং কেউ কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে মোটরযান বা মোটরযানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি পুলিশের মহাপরিদর্শককেও (আইজিপি) জানিয়েছে বিআরটিএ।

বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন বিদেশে থাকায় এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে সংগঠনটির প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিমা ছাড়া রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সুযোগ বিশ্বের কোথাও নেই। ২০১৮ সালে সড়ক পরিবহন আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই বিআইএর পক্ষ থেকে আমরা সরকারকে এ কথা বলে আসছিলাম। আইনটি শিথিল হওয়ার কারণে একদিকে যান ব্যবহারকারী মানুষ ও বিমা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলার পর এখন আইন সংশোধন হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে।’

Source: Prothom Alo


Draft prospectus of new open-end mutual fund gets regulatory nod

The securities regulator has approved the draft prospectus of a new open-end mutual fund namely ‘Green Delta Dragon Enhanced Blue Chip Growth Fund’.

The approval came at a meeting held at the office of Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) on Tuesday. At the meeting, the regulator also granted consent for the appointment of two independent directors to the Dhaka Stock Exchange (DSE).

In accordance with the regulatory approval, the initial size of the new mutual fund will be Tk 500 million. Green Delta Insurance Company and Dragon Capital Markets, the sponsors of the fund, have jointly contributed Tk 50 million.

The remaining Tk 450 million will be collected from investors through the sales of mutual fund units at Tk 10 each. Green Delta Dragon Asset Management is the asset manager of the fund.

Bangladesh General Insurance Company and BRAC Bank have been working as the trustee and the custodian of the fund respectively.

As per another regulatory approval, the DSE will appoint Md Shaheedul Islam and Kawser Ahmed as independent directors.

Once their appointment is completed, it will fill the vacancies of two independent director positions on the board of the demutualised premier bourse. The board comprises seven independent directors, five shareholder directors and a managing director.

Source: The Financial Express


Fiscal policy goals remain elusive

Says economist Rizwanul Islam in an interview

Fiscal policy goals set for the current fiscal year have remained elusive as private investment has stagnated, the economic growth has fallen, and inflation has shot up, said a noted economist.

Rizwanul Islam, a former special adviser of the employment sector at the International Labour Office in Geneva, said fiscal policies for 2022-23 were designed to maintain and strengthen the business-friendly environment in the economy.

An increase in the Export Development Fund, reduced corporate taxes, and VAT exemptions are but a few examples of such policies.

Perhaps the hope was that they will ensure investment and growth, and through the process, employment generation. This is the framework of the familiar trickle-down approach which, by the way, has long been discarded around the world, said Islam.

In 2022-23, private investment has stagnated, and in fact, it has declined as a share of GDP.

Besides, GDP growth has fallen. Inflation has shot up. Employment in the industrial sector has declined and there have been reverse tendencies in the labour market.

“Thus, the goals of fiscal policy remain elusive,” Islam said.

The budget for 2022-23 was formulated at a time when the economy was emerging from the adverse effects of the coronavirus pandemic and the Ukraine war had started.

The focus was on the growth of the economy, although the usual buzzwords like inclusive growth, poverty alleviation and employment were thrown in.

As inflation was already rising, controlling it was mentioned as a top priority. The main strategy for the purpose was mentioned as increasing supply while reducing growth in demand. The targets for GDP growth and inflation rate were 7.5 per cent and 5.6 per cent, respectively.

“As for fiscal instruments, the shame of having one of the lowest tax-GDP ratios in the world continues,” Islam said.

“One also notices continued reliance on indirect taxes (accounting for two-thirds of tax revenue), which are by nature regressive.”

During the first seven months of the current fiscal year, income tax registered the lowest growth. Moreover, the direct tax-GDP ratio declined over the long term.

Islam said fiscal reforms must include steps to widen the tax net.

His suggestion comes as although 4 crore people are regarded as capable of paying taxes, only 40 lakh are enlisted and 60 per cent of them submit returns.

“While the share of income tax in total tax revenue must rise, it is high time to consider other direct taxes like wealth and inheritance taxes,” he said.

He called for bringing down exemptions to the bare minimum and plugging loopholes.

“These steps are needed to improve the governance of tax administration and reduce corruption.”

According to Islam, the allocation for social protection, a sector that should have received high priority, has stagnated, and the effectiveness of the programmes is also questionable.

One piece of good news is that of one crore TCB “family cards” – which opened up the possibility of covering nearly 20 per cent of the households.

“If the programme could be implemented without political interference and covered the bottom 20 per cent of the population, it would be helpful.”

However, media reports of “running after TCB trucks” raise question marks, the economist pointed out.

In the current circumstances, in addition to the poor, the non-poor low-income groups also need support, he said.

The former ILO official thinks standard monetary policy instruments can be effective in fighting inflation when it is demand-driven. Even in such circumstances, success can’t be guaranteed, as is demonstrated by the current experiences of some developed countries like the UK.

“So, in order to fight inflation, the government should go for a combination of different policy instruments.”

On the supply side, there should be measures like smooth and timely import of key items, reduction in duties on such imports, stricter vigilance on the supply chain and action without political consideration, and removing bottlenecks on domestic production and marketing,

“But keeping interest rates fixed is not a good policy anyway.”

He recommended withdrawing the fixed interest rate so that savings can be encouraged, the capital market may become more efficient, and borrowers of all classes have easy access to credit.

Foreign exchange reserves depend crucially on exports and remittances. In order to bring back normalcy in these two areas, Islam thinks the government would have to ensure that the exchange rate reflects the real value of the domestic currency, unify the exchange rate, and give it stability.

Once the difference between the informal and official exchange rates go back to Tk 2 to Tk 3 per USD, remittances through hundi will also go down to previous normal levels, he said, calling for tightening regulations and oversight to bring back the export proceeds in full and on time.

In sum, an integrated approach should be adopted when it comes to fighting higher inflation, stabilising the exchange rate and protecting the poor. The fiscal, monetary and exchange rate policies should be allowed to work in tandem, the former ILO official added.

Source: The Daily Star


How DBH managed to keep its NPLs so low

It has the lowest ratio among banks and non-banks for years

While a number of banks and non-bank financial institutions (NBFIs) are struggling to rein in their non-performing loans (NPL), DBH Finance PLC has continued to maintain the lowest NPL to loan ratio in the industry for years.

Commencing operations in 1996, the housing finance company’s classified loans reached Tk 38 crore in 2022 with an NPL ratio of 0.86 per cent whereas the aggregate NPL ratio of all the NBFIs was 24.61 per cent till September 2022.

For the banking sector, the average NPL ratio was 9.36 per cent at the end of September, according to the central bank data.

The housing company is the lone financial institution in the country whose NPL to outstanding loan ratio never touched 1 per cent.

The company did not reschedule any loans in 2022 and in its 25 years of operations, it wrote off just Tk 94 lakh of loans, said Nasimul Baten, its managing director and CEO.

This is by far the best figure in the bank and financial institution industry, excluding the new ones, he said.

The choice is the factor – whether to go for aggressive expansion and take high risks or to be conservative and focus on risk management. The company chooses the latter, he said.

As the company lent for only housing, its spread is low as well as margin. In this perspective, if it sees a high amount of NPL, the company will lose out, so its focus is mainly on risk management, Baten clarified.

When it lends, it focuses mainly on the repayment capability of the borrower instead of keeping a high mortgage. “This policy has worked well to keep the NPL low,” he said.

As the NBFI is dealing with a single product, that is house loans, it is comparatively bearing a low risk and this is also a reason, he added.

Efficient client selection helped the company as other NBFIs’ NPL on the same product is at least 3 per cent to 7 per cent, he said.

The DBH achieved a AAA rating for 17 consecutive years since 2005, according to its annual report for 2022.

The AAA is the highest rating referring to a company’s excellent quality, offering the highest safety for timely servicing of financial obligations and carrying minimum risk.

A special loan recovery team of the company played a contributory role to reach that figure with their all-out effort, said the top DBH official.

Intense follow-up and proper monitoring through frequent customer visits are the keys to an efficient and effective recovery system, he added.

At the end of December 31, 2022, the loans and advances portfolio of the DBH stood at Tk 4,454 crore.

The DBH has historically maintained a low NPL ratio of approximately 0.50 per cent without any significant write-offs.

At the end of last year, the DBH’s NPL ratio witnessed an increase from 0.63 per cent in the preceding year to 0.86 per cent.

During the year, the DBH provided Tk 10.38 billion-worth home loans to over 3,000 households, which is marginally higher when compared to that of the previous year.

The listed NBFI’s profits dropped to Tk 101 crore in 2022 which was Tk 104 crore in the previous year.

As the interest rate against deposits rose, the lending rate did not go up at the same pace and the economy is facing the fallouts of a war and the pandemic, so it impacted the profits of the company, said the MD of DBH Finance.

Default loans in the banking sector increased to 16.8 per cent year-on-year to Tk 120,656 crore last year.


Source: The Daily Star